রামাল্লা, ২ জুন ২০২৫ – “ফিলিস্তিন সফরে সৌদি প্রতিনিধিদের বাধা” দিয়ে ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কূটনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহানের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল রামাল্লায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সাথে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের প্রবেশে অনুমতি দেয়নি।
কী ঘটেছে?
- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, তুরস্ক, মিসর ও জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিনিধিদল পশ্চিম তীর সফরের পরিকল্পনা করেছিল।
- ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এই সফরকে “উসকানিমূলক” আখ্যা দিয়ে অনুমতি দেয়নি।
- ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, এই সফর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন জোগাড়ের জন্য আয়োজিত হচ্ছিল।
সৌদি আরব ও ইসরায়েলের সম্পর্কে প্রভাব
এই ঘটনা সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সৌদি আরব ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ার প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে।
ফিলিস্তিনি প্রতিক্রিয়া
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত মাজেন ঘোনেইম বলেন,
“এই সফর ফিলিস্তিনি ইস্যুকে আরব ও মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্রীয় ইস্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার বার্তা দিয়েছে।”
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা
- ফ্রান্স ও সৌদি আরব জুন মাসে জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে।
- ইতিমধ্যে ১৫০টিরও বেশি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
শেষ কথাঃ শান্তির পথে বাধা
ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে কোনো আপস করতে প্রস্তুত নয়। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে।
© The Continental Herald 2025 | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত