ঢাকা, ১৪ জুন ২০২৫: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী স্পষ্ট করে বলেছেন, “মাঠ পর্যায়ের পুলিশের কাছে ভারী মারণাস্ত্র থাকবে না।” শনিবার রাজধানীতে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে তিনি এই ঘোষণা দেন।
কোন ইউনিট কী ধরনের অস্ত্র পাবে?
- সাধারণ থানা পুলিশ: শুধুমাত্র রাইফেল/হালকা অস্ত্র
- এপিবিএন ও বিশেষ ইউনিট: ভারী অস্ত্র ও উন্নত প্রযুক্তি
- র্যাব: নিজস্ব অস্ত্রাগারের ব্যবস্থা
কেন এই সিদ্ধান্ত?
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন:
“আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভারী অস্ত্রের প্রয়োজন নেই”
- গত ১১ মাসে দেশের অপরাধ率 ৩৭% কমেছে
- ঈদ উপলক্ষে ৯৯.৭% শান্তিপূর্ণ ছিল
পরিসংখ্যান ও অর্জন
সরকারি তথ্য অনুযায়ী:
- ২০২৫ সালে সন্ত্রাসী হামলা ৬২% হ্রাস
- চোরাচালান ৪৫% কমেছে
- জনগণের আইনশৃঙ্খলা সন্তুষ্টি ৮৯%
বিশেষজ্ঞদের মত
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন:
“এই সিদ্ধান্ত পুলিশ-জনগণ সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হবে। ভারী অস্ত্র শুধু বিশেষ অপারেশনের জন্যই সংরক্ষিত থাকা উচিত।”
পুলিশের অস্ত্রায়ন নীতির এই সংস্কার বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও পেশাদার ও জনবান্ধব করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষায়িত বাহিনীকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সাধারণ পুলিশকর্মীদের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
© The Continental Herald 2025 | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত