হোম / বাংলাদেশ / জাতীয় সংবাদ / পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের কোনো পদে থাকবেন না ড.মুহাম্মাদ ইউনূস

পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের কোনো পদে থাকবেন না ড.মুহাম্মাদ ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক, The Continental Herald

প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৫, ৮:৩৫ PM

 

ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন—এমনই দৃঢ় ঘোষণা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচন শেষে গঠিত সরকারের কোনো নির্বাচিত কিংবা নিযুক্ত পদে তিনি থাকবেন না। এই বার্তা তিনি শুধু দেশেই নয়, বৈশ্বিক পরিমণ্ডলেও পৌঁছে দিয়েছেন।

 

নির্বাচন আয়োজনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

 

একটি নিবন্ধে ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, তার সরকারের একমাত্র মূল লক্ষ্য হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন। রাজনৈতিক দলগুলো যেন সমানভাবে ভোটারদের সামনে তাদের পরিকল্পনা তুলে ধরতে পারে এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে—সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি।

 

স্বৈরাচার থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণ

 

প্রধান উপদেষ্টা জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনা দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন। ভেঙে পড়া অর্থনীতি, দুর্বল প্রশাসন এবং গণতন্ত্রহীন পরিবেশে সংস্কারের কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী গণহত্যা ঠেকিয়ে দেশকে স্বাভাবিক পথে ফেরাতে সহায়তা করেছে। জেনারেশন ‘জেড’-এর নেতৃত্বে হওয়া আন্দোলন গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে।

 

নতুন বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক স্বীকৃতি

 

ড. ইউনূসের মতে, ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর অগ্রযাত্রা আন্তর্জাতিক পরিসরেও প্রশংসা কুড়িয়েছে। দ্য ইকোনমিস্ট ২০২৪ সালে বাংলাদেশকে ‘সেরা দেশ’ হিসেবে ঘোষণা করে, যা দেশের পরিবর্তনের স্পষ্ট স্বীকৃতি।

 

নতুন বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক স্বীকৃতি

 

ড. ইউনূসের মতে, ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর অগ্রযাত্রা আন্তর্জাতিক পরিসরেও প্রশংসা কুড়িয়েছে। দ্য ইকোনমিস্ট ২০২৪ সালে বাংলাদেশকে ‘সেরা দেশ’ হিসেবে ঘোষণা করে, যা দেশের পরিবর্তনের স্পষ্ট স্বীকৃতি।

 

দীর্ঘস্থায়ী সংস্কার পরিকল্পনা

 

তিনি জানান, সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে বাংলাদেশ আর কখনো স্বৈরাচারী শাসনে ফিরে না যায়। রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে তৈরি করা সংস্কার প্রস্তাব দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে।

 

 

ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—ড. ইউনূসের এই ঘোষণা শুধু একটি সময়সূচি নয়, বরং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের প্রতি একটি অঙ্গীকার। তিনি নিজে কোনো ক্ষমতার ভূমিকায় না থেকেও একটি শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।

 

সত্য, স্বচ্ছ ও সাহসী সাংবাদিকতা

© The Continental Herald 2025 | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Share
Scroll to Top