নিজস্ব প্রতিবেদক, The Continental Herald
প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি সামরিক জোটে বাংলাদেশ যুক্ত হতে পারে—এমন সম্ভাবনা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পর দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আঞ্চলিক জোটের পটভূমি
পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি এই সম্ভাব্য জোটের ভিত্তি তৈরি করেছে। চুক্তিতে এক দেশের ওপর আক্রমণকে পারস্পরিক আক্রমণ হিসেবে গণ্য করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ন্যাটোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নীতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
তুরস্কের সম্ভাব্য ভূমিকা
২০২৬ সালের শুরুতে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, তুরস্কও এই জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা, তুরস্কের শক্তিশালী সেনাবাহিনী এবং সৌদি আরবের অর্থনৈতিক প্রভাব মিলিয়ে জোটটি মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে পরিণত হতে পারে।
বাংলাদেশের আগ্রহ ও সামরিক প্রস্তুতি
বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সামরিক বৈঠক এবং জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যা ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি সামরিক জোটে বাংলাদেশ যুক্ত হওয়া পুরোপুরি নির্ভর করবে নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের নীতি-নির্ধারণের ওপর।
এই জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি হলে তা শুধু দেশের প্রতিরক্ষা নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
সত্য, স্বচ্ছ ও সাহসী সাংবাদিকতা
© The Continental Herald 2025 | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত