ইরানের উদ্ধার মিশন ব্যর্থ: আসাদকে বাঁচাতে বিমান পাঠালেও ইসরায়েলের বাধায় ফিরে যায়
ঢাকা, ২৮ এপ্রিল ২০২৫ – সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে বিদ্রোহীদের হাত থেকে বাঁচাতে শেষ মুহূর্তে উড়োজাহাজ পাঠিয়েছিল ইরান। কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনীর হস্তক্ষেপে সেই মিশন ব্যর্থ হয়। এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
নেতানিয়াহুর বক্তব্য: কী ঘটেছিল?
জেরুজালেমে এক সামরিক সম্মেলনে নেতানিয়াহু জানান, ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর বিদ্রোহীরা দামেস্ক দখলের দ্বারপ্রান্তে থাকা অবস্থায় ইরান আসাদকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য একাধিক যুদ্ধবিমান প্রেরণ করে।
“ইরানি বিমানগুলোকে আমরা এফ-১৬ জেটের মাধ্যমে বাধা দিই। ফলে তারা দামেস্কে অবতরণ করতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়,” – বলেন নেতানিয়াহু।
এরপর আসাদ রাশিয়ার সহায়তায় সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চল থেকে মস্কোয় পালিয়ে যান। ইরান এখনও নেতানিয়াহুর এই দাবির বিরুদ্ধে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা: সামরিক প্রস্তুতি জোরদার
ইসরায়েলি সেনা মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেন, “আমরা ইরানি অস্ত্র হিজবুল্লাহর হাতে যাতে না পড়ে, তা নিশ্চিত করব। আমাদের নিরাপত্তাই অগ্রাধিকার।”
সিরিয়ার পতন: কী ছিল পটভূমি?
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দামেস্কে বিদ্রোহীদের আক্রমণ তীব্র হয়।
আসাদ রাশিয়ায় নির্বাসিত হন, সমাপ্তি হয় আসাদ পরিবারের পাঁচ দশকের শাসনের।
ইরান ও রাশিয়া আসাদের প্রধান মিত্র ছিল, কিন্তু বিদ্রোহীদের দখল ঠেকাতে পারেনি।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনায় ইসরায়েল-ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি প্রভাব কমানোর জন্য পশ্চিমা দেশগুলোও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
নেতানিয়াহুর এই দাবি ইসরায়েল-ইরান সম্পর্কে নতুন করে উত্তপ্ত করবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সিরিয়ার পতন এবং ইরানের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে বৈশ্বিক অঙ্গনে।
#ইরান #ইসরায়েল #সিরিয়া #আসাদ #মধ্যপ্রাচ্য_সংকট #নেতানিয়াহু #হিজবুল্লাহ
The Continental Herald – বিশ্ব সংবাদ আপনার আঙুলের ডগায়!