নিজস্ব প্রতিবেদক, The Continental Herald
প্রকাশিত: ২৮ মে ২০২৫, ১০:৫২ PM
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে ইন্দোনেশিয়া—এই বার্তা দিয়ে কূটনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করলেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন সংঘাতে আন্তর্জাতিক নীতিতে ভারসাম্য বজায় রেখে শান্তির বার্তা দিল ইন্দোনেশিয়া, যেটি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
শান্তির শর্ত: দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানই একমাত্র পথ
বুধবার (২৮ মে) ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন,
“দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ছাড়া স্থায়ী শান্তি সম্ভব নয়। ইসরায়েলের নিরাপত্তাও আমাদের বিবেচনায় রয়েছে।”
তিনি স্পষ্ট জানান, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে ইন্দোনেশিয়া।
আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান
প্রাবোও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান, তারা যেন এ সংকটে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন,
“আমরা শান্তি চাই, তবে সেটি ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই হতে হবে।”
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাকরনও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে ফ্রান্স তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
এখনো নেই ইসরায়েল-ইন্দোনেশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক
ইন্দোনেশিয়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। দেশ দুটির মধ্যে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্কও গড়ে ওঠেনি। তবে এবার প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান স্পষ্ট—শান্তি হোক, তবে তা হোক ন্যায়ের ভিত্তিতে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা স্বীকৃতি না দিলে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নয়—এটাই তাদের কূটনৈতিক অবস্থান। এটি শান্তিপ্রিয় মানুষের কাছে আশার আলো হয়ে উঠতে পারে।
© The Continental Herald 2025 | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত