ঢাকা, ১ জুন ২০২৫ – “জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরে পেলো” – রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করে আপিল বিভাগের এই রায়ে হাইকোর্টের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে। রোববার (১ জুন) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। তবে দলটির প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ ফিরে পাওয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১২ বছরের আইনি লড়াইয়ের অবসান
জামায়াতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির জানান, “এটি একটি ঐতিহাসিক রায়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল, যা আজ ন্যায়বিচারের মুখ দেখল।” ২০১৩ সালে হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করলে দীর্ঘ আইনি যুদ্ধের পর আপিল বিভাগ তা পুনর্বহাল করলো।
কী বলছে রায়?
- জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে ইসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ ইসির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
- আদালত “বহুদলীয় গণতন্ত্র” জোরদারের কথা উল্লেখ করেছেন।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
জামায়াত নেতারা এই রায়কে “গণতন্ত্রের জয়” বলে অভিহিত করেছেন। তবে ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা এটিকে “আইনের অপপ্রয়োগ” বলে সমালোচনা করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় আগামী নির্বাচনে জামায়াতের ভূমিকা পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে।
ইসির ভূমিকা এখন কী?
নির্বাচন কমিশনকে এখন দুটি কাজ করতে হবে:
১. জামায়াতের নিবন্ধন পুনর্বহাল করা।
২. দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি না, তা নির্ধারণ করা।
শেষ কথাঃ গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়?
এই রায় শুধু জামায়াতের জন্যই নয়, বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্য একটি মাইলফলক। তবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব পক্ষের সংযত হওয়া জরুরি।
© The Continental Herald 2025 | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত