দ্য কনটিনেন্টাল হেরাল্ড আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৮ জুন ২০২৫
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের ভূখণ্ডে কোনো সামরিক অভিযান চালালে তার “গভীর ও অপূরণীয় পরিণতি” হবে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন,
“আমরা কোনো চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বা শান্তি মেনে নেব না।”
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন ইসরায়েল দাবি করেছে তারা আজ ইরানে ৪০টিরও বেশি সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। টার্গেটের মধ্যে ছিল সেন্ট্রিফিউজ তৈরির কারখানা, অস্ত্র মজুদের কেন্দ্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাগার।
ইরানের পাল্টা জবাব:
ইরান ইসরায়েলের উদ্দেশে শতাধিক ড্রোন ছোড়ে। তেহরান বলছে, তারা প্রতিটি হামলার জবাব দিচ্ছে এবং আকাশসীমা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান:
ইরান ট্রাম্পের সাম্প্রতিক দাবিকে ভিত্তিহীন বলেও প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান নাকি হোয়াইট হাউসে বৈঠকের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে—যা তেহরান ‘পুরোপুরি মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছে।
বেসামরিক প্রাণহানি বাড়ছে:
ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে ২৪০ জনের বেশি নিহত, যার মধ্যে রয়েছে ৭০ জন নারী ও শিশু। অন্যদিকে, ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ জন নিহত হয়েছে।
গাজায় নৃশংসতা:
গাজার খান ইউনুসে খাদ্য সহায়তা নিতে আসা মানুষের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৮৯ জন নিহত, যাদের অধিকাংশই ছিলেন নারী ও শিশুসহ সাধারণ মানুষ।
বিশ্লেষণ:
এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যকে সম্পূর্ণ অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ কেবল সংঘাতের মাত্রা বাড়াবে—এমন ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।