নিজস্ব প্রতিবেদক, The Continental Herald
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
থাইল্যান্ডে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ভোটকাল ঘোষণা করা হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন দেশটি রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্ষমতার শূন্যতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার রয়্যাল অফিস পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করায় আগামীকাল শুক্রবার দেশটির পার্লামেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
রাজনৈতিক সংকটের পটভূমি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী পায়তংটার্ন শিনাওয়াত্রাকে নৈতিক সঙ্কটের কারণে আদালত ক্ষমতাচ্যুত করেন।
তার নেতৃত্বাধীন ফিউ থাই (Pheu Thai) পার্টি সংসদ ভেঙে দেওয়ার আবেদন করলে রাজপ্রাসাদ তা প্রত্যাখ্যান করে।
রয়্যাল অফিস জানায়, কার্যনির্বাহী প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভাঙার আইনি ক্ষমতা রাখেন না।
এই সিদ্ধান্তের ফলে, দেশটি দ্রুত নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সম্ভাব্য প্রার্থী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা
ভোটে দু’জনকে সামনে আনা হচ্ছে—
ভূমজাইথাই পার্টির নেতা অনুতিন চার্নভিরাকুল: বিরোধী জোটের সমর্থনে তার জয়ের সম্ভাবনা বেশি।
সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল চাইকাসেম নিতিসিরি (৭৭): ফিউ থাই পার্টির মনোনীত প্রার্থী।
অনুতিন চার্নভিরাকুলের অবস্থান
- ৫৮ বছর বয়সী অনুতিন এর আগে উপপ্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ২০২২ সালে ক্যানাবিস বৈধকরণের প্রতিশ্রুতি পূরণ করে তিনি রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
- বিরোধী জোটে তার প্রতি আস্থা প্রকাশ করায় আগামীকালের ভোটে তাকে এগিয়ে ধরা হচ্ছে।
বিরোধী শক্তির কৌশল
- বিরোধী পিপলস পার্টি ও ভূমজাইথাইয়ের সমঝোতার ভিত্তিতে—
- অনুতিন প্রধানমন্ত্রী হবেন।
- ৪ মাসের মধ্যে সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
তবে ফিউ থাই জানিয়েছে, যদি চাইকাসেম জয়ী হন তবে তারা অবিলম্বে সংসদ ভেঙে নতুন নির্বাচনের ডাক দেবে।
থাইল্যান্ডে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ভোটকাল ঘোষণা দেশটির রাজনীতিতে নতুন মোড় আনবে। অস্থিরতার মধ্যে এই ভোট দেশকে স্থিতিশীলতা এনে দিতে পারবে কি না, তা নির্ভর করছে আগামীকালকের নির্বাচনের ফলাফলের ওপর।
সত্য, স্বচ্ছ ও সাহসী সাংবাদিকতা
© The Continental Herald 2025 | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত