দ্য কন্টিনেন্টাল হেরাল্ড আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৯ জুন ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প জড়ালে যুক্তরাজ্যের সামরিক সহায়তা বিবেচনায়
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার মাঝে নতুন করে আলোচনায় এসেছে যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য সামরিক জড়িত থাকার প্রশ্ন। ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে যুক্ত করেন, তবে যুক্তরাজ্য কী ভূমিকা নেবে—তা নিয়ে এখন চূড়ান্ত মূল্যায়ন চলছে।
নতুন প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার ইতোমধ্যে এক জরুরি কোবরা (COBRA) বৈঠক আহ্বান করেছেন, যা সংকট মুহূর্তে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আয়োজন করা হয়।
বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ফোরডো পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালাতে চায়, তবে সেই হামলার জন্য তারা যুক্তরাজ্যের ডিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারে। এটি ব্রিটিশ ভূখণ্ড হওয়ায়, এমন হামলার আগে লন্ডনের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
সূত্র বলছে, ব্রিটিশ সরকার কয়েকটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ বিবেচনায় নিচ্ছে—
- পূর্ণ সামরিক সহায়তা
- কেবল লজিস্টিক ও গোয়েন্দা সহায়তা
- কেবল প্রতিরক্ষামূলক অংশগ্রহণ
- অথবা সম্পূর্ণভাবে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকা
এরই মধ্যে ব্রিটেন সাইপ্রাসে ১৪টি টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে এবং ইরাকে প্রায় ১০০ সেনা প্রস্তুত রেখেছে।
তবে যুক্তরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল সতর্ক করেছেন যে, এই ধরনের যুদ্ধে যুক্ত হওয়া হলে তা যেন “রক্ষণাত্মক উদ্দেশ্যে সীমিত থাকে”—নইলে আন্তর্জাতিক আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ব্রিটেনকে কোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানায়নি, তবে পরিস্থিতি যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।