হোম / আন্তর্জাতিক / ইরানের লারাক দ্বীপে ভয়াবহ মার্কিন হামলা, হতাহত অনেক
iran-expands-pressure-campaign-to-force-us-concessions-analysis-august-2026

ইরানের লারাক দ্বীপে ভয়াবহ মার্কিন হামলা, হতাহত অনেক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | TCH News
প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬

ইরানের লারাক দ্বীপে দেশটির দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। রোববার চালানো এ হামলা জুলাইয়ের শেষ দিকের পর ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পরিচিত সামরিক হামলা।

এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লারাক দ্বীপে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সদস্যদের হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক মাইন বহনকারী রকেট ছোড়ার প্রস্তুতি নিতে দেখা যায়। এরপর ওই দুটি উৎক্ষেপণ স্থাপনায় হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, লারাক দ্বীপে ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, হামলায় কয়েকজন ইরানি সেনাসদস্য ও বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন। তবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো হয়নি। বিপ্লবী গার্ড বলেছে, এই হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ‘জবাব ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা সব মাইন বিস্ফোরিত অথবা অপসারণ করা হয়েছে। নতুন করে কোনো জাহাজ বা নৌযান সেখানে মাইন স্থাপনের চেষ্টা করলে সেটি ধ্বংস করা হবে বলেও ইরানকে সতর্ক করা হয়েছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করার পর তেহরানও ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি থাকা কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে পাল্টা হামলা চালায়। এর মধ্য দিয়ে সংঘাত ইতোমধ্যে ছয় মাস অতিক্রম করেছে।

চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের ব্যবহৃত মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। ফলে হরমুজ ঘিরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।

Share
Scroll to Top