জাতীয় ডেস্ক | TCH News
প্রকাশিত: ৩ আগস্ট ২০২৬
নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের ৪৯৫টি উপজেলার প্রায় ৫৫ লাখ কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উপকারভোগীরা বছরে মোট ছয় মাস এই সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর এবং পরবর্তী বছরের মার্চ ও এপ্রিল মাস। নির্ধারিত কার্ডধারীরা প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল সংগ্রহ করতে পারবেন।
এবারের কর্মসূচিতে পুষ্টি নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশের ২৪৮টি উপজেলায় প্রায় ২৫ লাখ ২৯ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে ফর্টিফায়েড বা পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল বিতরণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে ২৪৭টি উপজেলায় প্রায় ২৯ লাখ ৭১ হাজার মানুষের মধ্যে সাধারণ চাল সরবরাহ করা হচ্ছে।
সরকারের খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কার্যক্রমও আগের মতো চালু রয়েছে। দেশের ১ হাজার ১০৮টি বিক্রয়কেন্দ্র ও ট্রাকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে, যাতে বাজারের চাপের মধ্যেও নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য সংগ্রহ করতে পারেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক অবস্থানে রয়েছে। গত ২ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি গুদামে মোট খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চালের পরিমাণ ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন, গম ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ মেট্রিক টন এবং ধান (চালে রূপান্তরিত হিসাব অনুযায়ী) ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন।
মন্ত্রণালয় বলছে, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপুষ্টি কমানো এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
হ্যাশট্যাগ:
#খাদ্যবান্ধব_কর্মসূচি #১৫টাকারচাল #খাদ্যনিরাপত্তা #ওএমএস #বাংলাদেশ #FoodFriendlyProgram #RiceDistribution #FoodSecurity #OMS #Bangladesh