অর্থনীতি ডেস্ক | TCH News
প্রকাশিত: ৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বিভিন্ন কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে তৈরি পোশাক খাতের দুই শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ।
সোমবার পৃথক বিবৃতিতে সংগঠন দুটি জানায়, বিদ্যমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেও সদস্যভুক্ত অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলমান রয়েছে। সরকারের সহযোগিতায় বর্তমানে বেশিরভাগ কারখানা প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ উৎপাদন সক্ষমতা বজায় রেখে কাজ করছে।
বিজিএমইএর ভাষ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের সরকারি ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে কয়েকটি কারখানায় অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরে শ্রম আইন অনুযায়ী সাধারণ কর্মদিবসের মাধ্যমে এই ছুটিগুলো সমন্বয় করা হবে। এটি শিল্প খাতে প্রচলিত একটি স্বাভাবিক ব্যবস্থাপনা এবং এর সঙ্গে কারখানা স্থায়ীভাবে বা উৎপাদন বন্ধ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
একই বিষয়ে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের কয়েকটি কারখানায় টানা তিন থেকে চার দিনের ছুটি দেওয়া হয়েছে। সামনে সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এবং শ্রমিকদের অনুরোধ বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে অতিরিক্ত ছুটির দিনগুলো সাধারণ ডিউটির মাধ্যমে সমন্বয় করা হবে, ফলে শ্রমিক বা মালিক কোনো পক্ষই আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে না।
তিনি আরও বলেন, সীমিত গ্যাস সরবরাহের মধ্যেও যদি ডাইং ইউনিটগুলো সচল রাখা যায়, তাহলে কিছু পরিমাণ ফ্যাব্রিক উৎপাদন সম্ভব হবে, যা পুরো শিল্পের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বিজিএমইএ আরও জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই ছাড়া কারখানা বন্ধের মতো সংবেদনশীল সংবাদ প্রকাশ দেশি-বিদেশি ক্রেতা ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি এই খাতের ওপর নির্ভরশীল লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থানও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
পোশাক শিল্প দেশের প্রধান রপ্তানি খাত উল্লেখ করে সংগঠনটি শিল্পসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দায়িত্বশীল ও যাচাইকৃত তথ্য প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
হ্যাশট্যাগ:
#বিজিএমইএ #বিকেএমইএ #পোশাকশিল্প #গ্যাসসংকট #বিদ্যুৎসংকট #বাংলাদেশ #TCHNews
#BGMEA #BKMEA #GarmentIndustry #GasCrisis #PowerCrisis #Bangladesh #TCHNews