হোম / বাংলাদেশ / নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুলের ৩৮২ শিক্ষার্থী সবাই পেল জিপিএ-৫

নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুলের ৩৮২ শিক্ষার্থী সবাই পেল জিপিএ-৫

এসএসসিতে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুলের শতভাগ জিপিএ-৫, ৩৮২ শিক্ষার্থীর সবাই কৃতিত্ব।

 

শিক্ষা ডেস্ক | TCH News

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬

 

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড হোমসের শিক্ষার্থীরা অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৮২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে।

 

আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় ফলাফল প্রকাশের পরপরই নেচে-গেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা। তাদের পাশাপাশি আনন্দে মাতেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। অভিভাবকেরা নিয়ে আসেন মিষ্টির প্যাকেট। শিক্ষার্থীরা একে অপরকে জড়িয়ে উল্লাসে মেতে ওঠে।

 

শিক্ষকদের পরিশ্রমেই এই সাফল্য

 

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাষ্য, এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, গাইড টিচারের মাধ্যমে নিয়মিত হোম ভিজিট, টিউটোরিয়াল ও মাসিক পরীক্ষার কারণেই এই ভালো ফল সম্ভব হয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা দেশের সার্বিক ফলাফল বিশ্লেষণ করার পর দেখা যাচ্ছে, আমরা দেশসেরা অবস্থানেই আছি। চেয়ারম্যান স্যারের ইনোভেটিভ চিন্তাভাবনা, সঠিক সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা এ ভালো ফলের মূল কারণ।’

 

 

এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে।

 

বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পিইসি, জেএসসি ও এসএসসিতে ভালো ফল করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। সাফল্যের ধারাবাহিকতা এবারও দেখাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।

 

 

গত বছরও ৩২০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছিল। ২০২৪ সালে ২৯৪ জনের মধ্যে ২৯৩ জন, ২০২৩ সালে ২৭৮ জনের মধ্যে ২৭০ জন, ২০২২ সালে ২৬৬ জনের মধ্যে ২৬৬ জন, ২০২১ সালে ২৪৭ জনের মধ্যে ২৩৭ জন, ২০২০ সালে ২১৪ জনের মধ্যে ২০০ জন, ২০১৯ সালে ১৭১ জনের মধ্যে ১৬৮ জন, ২০১৮ সালে ১৩৯ জনের মধ্যে ১৩৭ জন এবং ২০১৭ সালে ১৬৪ জনের মধ্যে ১৬৪ জনই জিপিএ-৫ অর্জন করে।

 

 

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, ‘নরসিংদীর মতো মফস্সল শহরে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়েই আমি ও আমার সহধর্মিণী নাসিমা বেগম প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। এবারও শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে দেশসেরা ফলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে।’

 

উল্লেখ্য, বর্তমানে ১৭৪ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে স্কুলটির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫ হাজার ২০০। প্রায় দুই দশক ধরে মানসম্মত শিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম সেরা অবস্থানে রয়েছে।

 

The Continental Herald (TCH News) is committed to delivering accurate, timely, and trustworthy news. Stay connected with The Continental Herald for the latest updates from Bangladesh and around the world.

Share
Scroll to Top