আন্তর্জাতিক ডেস্ক | TCH News
প্রকাশিত: ৬ আগস্ট ২০২৬
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। দিবসটি উপলক্ষে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক স্মারক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়, যেখানে বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার এক ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির ঐক্য, দৃঢ় সংকল্প এবং গণতান্ত্রিক অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।
অনুষ্ঠানে সরকারের ‘থ্রি আর’ কৌশল অর্থাৎ রিকভারি, রেস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এ কৌশলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানানো হয়।
এ সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও মূলনীতির প্রতি দেশের অঙ্গীকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে আন্দোলনের পটভূমি, এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
হ্যাশট্যাগ:
বাংলা: #জুলাইগণঅভ্যুত্থান #জাতিসংঘ #বাংলাদেশ #গণতন্ত্র #আন্তর্জাতিক
English: #JulyUprising #UnitedNations #Bangladesh #Democracy #UN #InternationalNews