৩০ জুলাই ২০২৬ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের পর নিজ দেশে ফিরে যাওয়া এক গুয়াতেমালান ব্যক্তি এবং তার স্ত্রীর মরদেহ একটি আখক্ষেতে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের মাত্র এক বছর বয়সী কন্যাশিশুকে জীবিত অবস্থায় মরদেহের পাশেই পাওয়া যায়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
নিহতদের পরিচয় ৪৩ বছর বয়সী নিক্সন জিওভান্নি পেরেজ এবং তার স্ত্রী গ্লেন্ডি মারিসোল গনজালেস হিসেবে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। পেরেজকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্য গনজালেসও স্বেচ্ছায় গুয়াতেমালায় ফিরে আসেন। গত সপ্তাহে নিখোঁজ হওয়ার পর মঙ্গলবার দেশটির রেতালেউ অঞ্চলের একটি আখক্ষেতে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, নিহত দুজনের হাত বাঁধা ছিল। পেরেজের ঘাড়ে গুলির আঘাত এবং গনজালেসের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হলেও তাদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র পাওয়া যায়নি। হত্যার কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
দম্পতির এক বছর বয়সী কন্যাশিশু অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও তাদের আরও দুই সন্তান বর্তমানে স্বজনদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে গুয়াতেমালায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত আসা অভিবাসীদের সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গুয়াতেমালায় ফেরত পাঠানো মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
#হ্যাশট্যাগ
#গুয়াতেমালা #যুক্তরাষ্ট্র #অভিবাসন #হত্যাকাণ্ড #আন্তর্জাতিক_সংবাদ
#Guatemala #USA #Deportation #Crime #WorldNews